[ অনুবাদকদের কথাঃ আমরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর একটি তাত্ত্বিক প্রবন্ধ প্রকাশ করার পর আমাদের আন্তর্জাতিক বন্ধুরা এই সম্পর্কিততাদের একটি প্রবন্ধ পাঠান এবং তা বাংলায় অনুবাদ ও প্রকাশের অনুরোধ করেন। আমরা কৃতজ্ঞচিত্তে তা করলাম। এখানে একটিসমাজতান্ত্রিক দেশের দৃষ্টিকোণ থেকে এই বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভাবনাচিন্তা তুলে ধরা হয়েছে।
দ্রষ্টব্যঃ এই প্রবন্ধে প্রকাশিত মতামত ও বিশ্লেষণ সম্পূর্ণরূপে লেখকদের নিজস্ব। এগুলো অনুবাদকদের বা সেন্টার ফর সোশ্যাল রিসার্চেরঅবস্থান বা দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন নয়। ]
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও নতুন প্রযুক্তিগত যুগ: একটি সমাজতান্ত্রিকদৃষ্টিভঙ্গি
লুইজ জারেফ ও টিকা মোরেনো ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পুঁজিবাদের গঠনগত সংকট আজ একটি নতুন, অবক্ষয়ী ও বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যাকে ক্রমশ “হাইপার-ইম্পেরিয়ালিজম” বাঅতি-সাম্রাজ্যবাদ বলা হচ্ছে। বিশ্বব্যাপী পুঁজিবাদকে একমাত্র সামাজিক ব্যবস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টার সর্বোচ্চ রূপ হলো সাম্রাজ্যবাদ।সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর এই সাম্রাজ্যবাদ অভূতপূর্ব শক্তি নিয়ে এগিয়ে যায়।
উদারপন্থী আধিপত্য প্রায় সমগ্র পৃথিবীকে — পূর্ব থেকে পশ্চিম পর্যন্ত — নিজের প্রভাবের মধ্যে নিয়ে আসে। এমনকি বাস্তবসমাজতন্ত্রের অবশিষ্ট অভিজ্ঞতাগুলোর ভেতরেও সে প্রভাব ছড়িয়ে পড়ে। নিজেদের বিজয় — অথবা তথাকথিত “ইতিহাসের সমাপ্তি” — নিয়ে নিশ্চিত হয়ে, সাম্রাজ্যবাদ ১৯৯০ সালের পর আন্তর্জাতিক শ্রমবিভাজনের ধারায় এক নির্মম রূপান্তর চাপিয়ে দেয়।
ধীরে ধীরে মার্কিন ও ইউরোপীয় পুঁজিপতিরা তাদের কারখানা — অর্থাৎ শিল্প উৎপাদনের মূল শক্তি — এশিয়ায় সরিয়ে নিতে থাকে।বিশেষত চীনে, পাশাপাশি ভারত, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডেও। তাদের বিশ্বাস ছিল — সামরিক শক্তি, প্রযুক্তির নিয়ন্ত্রণ এবং বৈশ্বিকপুঁজিবাজারের কর্তৃত্ব — এই তিনের সমন্বয় তাদের স্থায়ী আধিপত্য নিশ্চিত করবে।
এই আধিপত্যের কাঠামো মজবুত করতে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) এবং উত্তর আটলান্টিক জোট (NATO) একত্রে নানা প্রাতিষ্ঠানিককাঠামো তৈরি করে। এর মধ্যে ছিল বৌদ্ধিক সম্পত্তিবিষয়ক TRIPS চুক্তি, পূর্ব ইউরোপে NATO-র সম্প্রসারণ এবং বৈশ্বিক ব্যাংকিংব্যবস্থায় নিষেধাজ্ঞা আরোপের হাতিয়ার হিসেবে SWIFT নেটওয়ার্কের শক্তিশালী ব্যবহার।
একই সময়ে আফ্রিকার সামগ্রিক সম্পদ লুণ্ঠন আরও তীব্র হয় এবং লাতিন আমেরিকায়ও উত্তোলনমূলক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা চাপিয়েদেওয়া হয় — যদিও এর আগে এই অঞ্চলে স্বল্প সময়ের জন্য শিল্পায়নের কিছু প্রচেষ্টা দেখা গিয়েছিল, প্রায়শই সামরিক শাসনের অধীনে।
লাতিন আমেরিকার দেশীয় বুর্জোয়া শ্রেণি এই প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলেনি; বরং ১৯৯০-এর দশকে ব্যাপকবেসরকারীকরণ এবং ২০০৯ সালের পর শুরু হওয়া সাম্রাজ্যবাদী নতুন আক্রমণের সঙ্গে তারা পুরোপুরি যুক্ত হয়। এই আক্রমণে ছিলঅভ্যুত্থান, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি এবং সেইসব প্রগতিশীল সরকারকে দুর্বল করা, যারা জাতীয় উন্নয়ন ও আঞ্চলিক সংহতিরসম্ভাবনা তৈরি করছিল।
কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় পুঁজিবাদের মৌলিক দ্বন্দ্ব দূর হয়নি — বরং আরও গভীর হয়েছে।
পুঁজির ক্রমবর্ধমান কেন্দ্রীকরণ এবং অর্থনীতির আর্থিকীকরণ — যেখানে কাল্পনিক পুঁজির প্রভাব ক্রমশ বেড়েছে — শেষ পর্যন্ত ২০০৮সালের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট ডেকে আনে।
যুক্তরাষ্ট্র এই সংকট সামলাতে সম্প্রসারণমূলক মুদ্রানীতি গ্রহণ করে। এর ফলে বিপুল পুঁজি সরকারি বন্ড থেকে সরে “ভেঞ্চার ক্যাপিটাল” খাতে প্রবাহিত হয় এবং উচ্চ মুনাফার সন্ধানে সিলিকন ভ্যালির প্রযুক্তি উদ্ভাবনের দিকে ধাবিত হয়। ডলারের বৈশ্বিক একচ্ছত্রতা এইঅর্থপ্রবাহকে যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেই কেন্দ্রীভূত রাখে।
এই সময়েই নতুন ডিজিটাল যুগের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোগত পরিবর্তন ঘটছিল। মানুষের ইন্টারনেট ব্যবহারের ধরন সাধারণব্রাউজিং থেকে নজরদারি-নির্ভর ব্যবস্থায় রূপান্তরিত হয় — যা সম্ভব হয় আইফোন ও অ্যান্ড্রয়েড প্রযুক্তির আবির্ভাবের মাধ্যমে(২০০৭-২০০৮)।
GPS প্রযুক্তির উন্নতি, ৩জি ও ৪জি নেটওয়ার্ক, আমাজন ওয়েব সার্ভিসেস (AWS)-এর মাধ্যমে ক্লাউড সংরক্ষণ এবং CPU-এর পরিবর্তেGPU-এর ব্যাপক ব্যবহার — সব মিলিয়ে তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণ এক অভূতপূর্ব মাত্রায় পৌঁছায়।
এই সময়ে Airbnb, Uber এবং WhatsApp-এর মতো কোম্পানিগুলো বছরের পর বছর লোকসানে চললেও মানুষের জীবনের নানা দিকথেকে বিপুল তথ্য সংগ্রহ করতে থাকে।
এই সব উপাদান মিলেই “ডেটাফিকেশন” — অর্থাৎ তথ্যকে অর্থনৈতিক সম্পদে পরিণত করা — পুঁজির জন্য একটি নতুন মুনাফারক্ষেত্র তৈরি করে, যখন ঐতিহ্যগত শিল্পে আগের মতো লাভ পাওয়া যাচ্ছিল না।
কিন্তু একই সঙ্গে পশ্চিমা সমাজে সাধারণ মানুষ ও মধ্যবিত্তের ওপর সামাজিক সংকট ও অনিশ্চয়তা ক্রমশ বাড়তে থাকে।
চীনের সমাজতান্ত্রিক অভিজ্ঞতা
পৃথিবীর অন্য প্রান্তে পরিস্থিতি ছিল ভিন্ন। সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো ভেবেছিল, এশিয়ার বিশাল জনগোষ্ঠী ও তুলনামূলক নিম্নজীবনমানকে কাজে লাগিয়ে আরও বেশি মুনাফা করা যাবে। তারা বিশ্বাস করেছিল যে সমাজতন্ত্র আর কার্যকর নেই এবং তাই তাদেরআধিপত্যের কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু “চীনা বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন সমাজতন্ত্র” — নিজস্ব নানা দ্বন্দ্ব থাকা সত্ত্বেও — একটি ঐতিহাসিক সাফল্যঅর্জন করে। সমাজতান্ত্রিক পরিকল্পনার শক্তিকে কাজে লাগিয়ে তারা:
১. আধুনিক মান বজায় রেখে একটি সমাজতান্ত্রিক বাজার অর্থনীতি গড়ে তোলে ২. বিশাল জনগোষ্ঠীর জীবনমান ধীরে ধীরে উন্নত করে৩. কমিউনিস্ট পার্টিকে নতুন প্রাণ দেয় ৪. এবং একটি নতুন প্রযুক্তিগত যুগে প্রবেশের ভিত্তি তৈরি করে
এই প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা হলো “নতুন গুণগত উৎপাদনশক্তি” (New Qualities of Productive Forces — NQFP), যা২০২৩ সালে চীনের কমিউনিস্ট পার্টি আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করে।
বাষ্পীয় ইঞ্জিন থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
ইতিহাসে কিছু প্রযুক্তিগত আবিষ্কার — আগুন, লিখনপদ্ধতি, বাষ্পীয় ইঞ্জিন বা বিদ্যুৎ — সমাজকে মূল থেকে বদলে দিয়েছে। কৃত্রিমবুদ্ধিমত্তাও সেই পর্যায়ের একটি প্রযুক্তি। এটি কেবল বিদ্যমান প্রক্রিয়াকে দ্রুত করে না; বরং মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক, শ্রমের গঠনএবং সমাজ ও প্রকৃতির পারস্পরিক সম্পর্ককে মৌলিকভাবে পরিবর্তন করে।
এই কারণেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কেবল “আরেকটি প্রযুক্তি” হিসেবে দেখা যায় না। ২০২০ সালে চীনের কমিউনিস্ট পার্টি ডেটাকেউৎপাদনের পঞ্চম উপাদান হিসেবে স্বীকৃতি দেয় — ভূমি, শ্রম, পুঁজি ও প্রযুক্তির পাশাপাশি। ডেটার বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো —
- এটি একসঙ্গে অনেকে ব্যবহার করতে পারে
- ব্যবহার বাড়লে এর মূল্যও বাড়ে
- এবং এটি নতুন জ্ঞান ও বাস্তবতা তৈরি করতে পারে
বর্তমানে বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলো মূলত খনিজ ও জ্বালানি সরবরাহকারী হিসেবে কাজ করছে, যা ডিজিটাল যন্ত্রপাতি চালু রাখে। কিন্তুসেই যন্ত্র থেকে সংগৃহীত তথ্য প্রক্রিয়া হয় মূলত মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানির নিয়ন্ত্রিত অবকাঠামোতে। চীনের প্রস্তাব হলো — ডেটাকেএকটি কৌশলগত জনসম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা, যা রাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে এবং মানবজাতির অভিন্ন ভবিষ্যতের দৃষ্টিভঙ্গির ভিত্তিতেপরিচালিত হবে।
ডিজিটাল যুগে সমাজতান্ত্রিক সম্ভাবনা
প্রতিটি প্রযুক্তিগত বিপ্লবের সঙ্গে বিশ্বরাজনীতির শক্তির ভারসাম্য পরিবর্তিত হয়েছে।
- বাষ্পীয় ইঞ্জিন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যকে শক্তিশালী করেছিল
- বিদ্যুৎ ও তেল মার্কিন আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছিল
- আজ ডেটা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নতুন যুগের কেন্দ্রে
সমাজতন্ত্রের ঐতিহাসিক শক্তি এখানেই — এটি উৎপাদনশক্তির বিপ্লবী সম্ভাবনাকে কেবল ব্যক্তিগত মুনাফার জন্য নয়, সামাজিককল্যাণের জন্য ব্যবহার করতে চায়।
লাতিন আমেরিকার সামনে চ্যালেঞ্জ
আজ লাতিন আমেরিকার জনগণের সামনে প্রধান প্রশ্ন হলো ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব। ইউরোপীয় উদারপন্থী আলোচনায় “সবুজ ওডিজিটাল রূপান্তর” নামে যে ধারণা ছড়ানো হচ্ছে, তা মূলত বড় প্রযুক্তি কোম্পানির আধিপত্য বজায় রেখে পরিবেশ সংকটের ভুয়াসমাধান প্রস্তাব করে। এই পরিস্থিতিতে বৈশ্বিক দক্ষিণের জনগণের আন্দোলনের সামনে দুটো কাজ রয়েছে —
- প্রতিরোধ গড়ে তোলা
- এবং একই সঙ্গে বিকল্প প্রযুক্তিগত পথ তৈরি করা
চীনের অভিজ্ঞতা থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো — রাষ্ট্রের ব্যাপক বিনিয়োগের মাধ্যমে হার্ডওয়্যার শিল্প, ডেটা সেন্টার, চিপ প্রযুক্তিএবং শক্তি রূপান্তরকে একসাথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।
শ্রম, যত্ন এবং প্রযুক্তি
এই প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠছে — শ্রমের ভবিষ্যৎ কী? আলোচনাকে কেবল “কত চাকরি যাবে” এই প্রশ্নে আটকে রাখাযায় না। বরং প্রশ্ন হওয়া উচিত —
- মানুষের প্রয়োজন মেটাতে কী ধরনের উৎপাদন দরকার
- সামাজিক পুনরুৎপাদনের কাজ কীভাবে সংগঠিত হবে
- এবং যত্নের কাজ — যা মূলত নারীদের কাঁধে পড়ে — সেটিকে কীভাবে সামাজিকভাবে ভাগ করে নেওয়া যাবে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যদি সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়, তাহলে তা যত্নের সামাজিকীকরণে সাহায্য করতে পারে। কিন্তু পুঁজিবাদী নজরদারিরহাতিয়ার হলে তা মানুষের স্বাধীনতাকে সংকুচিত করবে।
কৃষক সংগ্রাম ও প্রযুক্তি
লাতিন আমেরিকার কৃষক আন্দোলনের ক্ষেত্রেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে —
- কৃষি সংস্কার সংগঠিত করা
- খাদ্য সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করা
- এবং বাস্তুতন্ত্রকেন্দ্রিক কৃষিচর্চা (agroecology) ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব
কিন্তু একই সময়ে বড় প্রযুক্তি কোম্পানি, বহুজাতিক কৃষি ব্যবসা এবং খনি কোম্পানির জোট ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণেরপ্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু করেছে। তাই কৃষক সংগঠনগুলোর নিজস্ব ডিজিটাল সক্ষমতা গড়ে তোলা এখন অপরিহার্য।
উপসংহার
এই প্রযুক্তিগত রূপান্তরের গতি অত্যন্ত দ্রুত। তাই এখনই সক্রিয় পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও নতুন উৎপাদনশক্তিরতাত্ত্বিক বোঝাপড়াকে বাস্তব পরীক্ষার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে — যাতে বোঝা যায় কোথায় বাধা আছে এবং কীভাবে প্রযুক্তিকে জনগণেরপ্রয়োজনের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া যায়। একই সঙ্গে বৈশ্বিক দক্ষিণের জনসংগঠনগুলোর মধ্যে — বিশেষত চীনের সমাজতান্ত্রিক অভিজ্ঞতারসঙ্গে — কৌশলগত সহযোগিতা গড়ে তোলা জরুরি। কারণ ইতিহাসের এই মোড়ে, জনগণের স্বশাসিত জাতীয় অভিজ্ঞতা এবংআঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সহযোগিতাই একমাত্র পথ — যার মাধ্যমে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির ঐতিহাসিক সুবিধাকে অতিক্রম করা সম্ভব।
* লুইজ জারেফ — ব্রাজিলের ভূমিহীন কৃষক আন্দোলন (MST)-এর সদস্য এবং Baobab ও International Association for Popular Cooperation-এর সমন্বয়ক। টিকা মোরেনো — ব্রাজিলে World March of Women-এর জাতীয় সমন্বয়ক।
অনুবাদ: ড. সুশান্ত দাস | আহমেদ বোরহান
সেন্টার ফর সোশ্যাল রিসার্চ, বাংলাদেশ Centre for Social Research, Bangladesh (CSR)

